ভোর চারটায় হাসপাতালে নিতে হলো মডেলকে

করোনাকালের শুরুতে সবার ভালোবাসা জুটেছিল কালাম হাডসন-ওডোইয়ের। চেলসির এই প্রতিশ্রুতিশীল উইঙ্গারের মার্চের শুরুতেই করোনা ধরা পড়েছিল। সে ধাক্কা সামলে সুস্থ হয়েছেন, গায়ে মেখেছেন সবার ভালোবাসা। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনের নিয়ম ভাঙায় এবার পুলিশের কাছে গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে। যে কারনে গ্রেপ্তার হওয়ার খবর রটেছে, সেটা আরও ভয়াবহ। খবরে এসেছে, করোনাভাইরাসের নিয়ম ভেঙে এক মডেলকে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে ডেকে এনেছেন।

পরিস্থিতি ঘোলাটে করা সংবাদ হলো, ভোরে সেই মডেল পুলিশের সাহায্য নিয়ে হাসপাতালে যান। দ্য সান এক প্রতিবেশির সূত্রে জানিয়েছে, শনিবার রাত আটটায় এক মডেল ওডোইয়ের বিল্ডিংয়ে হাজির হয়েছিলেন। মডেলের বর্ণনায় সেই প্রতিবেশি বলেছেন, ‘এমন কেউ যাকে আপনি লাভ আইল্যান্ডে দেখার আশা করেন।’ লাভ আইল্যান্ড হলো একটি রিয়েলিটি শো যেখানে মডেলদের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

১৯ বছর বয়সী ওডোইয়ের এমন সঙ্গলাভ অবশ্য খুব বেশিক্ষণ পাওয়া হয়নি। ওই প্রতিবেশি বলেছেন, ‘পুরো জায়গাটা পুলিশে ভরে গেছে। ছাদের স্পার এলাকাটাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে আমি জানি না সেটা একই কারণে কিনা।’ আরেক প্রতিবেশি বলেছেন, ‘বেশ অনেক লোক জড়ো হয়েছে কিন্তু আমরা নিশ্চিত নই কে এর জন্য দায়ী। এ বিল্ডিংয়ে বেশ কয়েকজন ফুটবলার আছে। শেষ রাতেই ঘটনাটা ঘটেছে এবং পুলিশ ডেকে আনা হয়েছে।’খবরে বলা হয়েছে, দায়ী ফুটবলারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, ‘১৭ মে এক অসুস্থ মহিলা পুলিশ ও লন্ডন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসকে রবিবার ভোর ৩টা ৫৩ মিনিটে ফোন করেছিলেন।’ পুলিশ এটাও জানিয়েছে নিকটস্থ হাসপাতালে ওই নারীকে নেওয়া হয়েছে এবং এক পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও কারও নাম উল্লেখ করেনি পুলিশ। তবে প্রতিবেশিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নামটি হাডসন-ওডোই হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ইংলিশ ফুটবলারদের নারী ঘটিত কারণে লকডাউনের নিয়ম ভাঙা এবারই প্রথম নয়। এর আগে নিয়ম ভেঙ্গে নিজের ফ্ল্যাটে যৌনকর্মী ডেকেছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির কাইল ওয়াকার। এর ফলে এখনো ক্লাবের শাস্তি অপেক্ষা করছে তাঁর জন্য।

About admin

Check Also

মেসির আরেকটি মাইলফলক

কদিন আগে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী পেলের এক ক্লাবের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। এবার বার্সেলোনার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *